মানব দেহ পরিচিতি

মানব দেহ পরিচিতি:  মানব দেহ সৃষ্টিকর্তার অন্যতম অপুরূপ  নিদর্শন।তাই মানবদেহ  নিয়ে সবারই কম বেশী কৌতুহল রয়েছে।

বিশেষ করে চিকিৎসা শাস্ত্রের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের তো মানব দেহ  সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন অতি জরুরী।

তাই আজকে আমাদের আলোচনার বিষয়গুলো হলঃ

মানব দেহ পরিচিতি,মানব দেহের গঠন,মানব দেহে জোড়া কয়টি,মানব দেহ সম্পর্কে বিশেষ কিছু তথ্য,মানব দেহের বিভিন্ন অংশের বাংলা ও ইংরেজি নাম,মানব দেহের বিভিন্ন অঙ্গের ছবি ইত্যাদি বিষয়।

Page Content Highlights

মানব দেহ পরিচিতি

মানুষের দেহ কীভাবে কাজ করে?

হজম, প্রজনন এবং অন্যান্য সিস্টেমগুলি কী কী ভূমিকা পালন করে?

মানব দেহে  ক্রিয়াকলাপে সহায়তা করার জটিল প্রক্রিয়াগুলি সম্পর্কে জানা আলচনা করব।

আর মানব দেহের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলি সম্পর্কে জানবো।  আমাদের দেহে যে ক্রিয়াকলাপ হয় সেগুলির ক্ষেত্রে যে গুলি খুব গুরুত্বপূর্ণ সেগুলিকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। 

মানব দেহের মধ্যে থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ১১ টি অঙ্গ

আমরা মানব দেহের মধ্যে থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ১১ টি অঙ্গ  প্রথমে আলচনার জন্য বেছে নিয়েছি।

 এগুলি ছাড়া মানুষের জীবন অসম্ভব।  আমরা আলোচনার জন্য নিম্নলিখিত অঙ্গগুলি বেছে নিয়েছি:

মানব দেহের প্রধান অঙ্গ ও তাদের কাজ আমরা এখানে আলোচনা করবো।চলুন শুরু করা যাক।

  1. Skin ত্বক:ত্বক দেহের বৃহত্তম অঙ্গ ।এর বাইরের স্তর এপিডার্মিস যার নিচেই থাকে ডারমিস।এর কাজ হলো দেহকে প্রতিরক্ষা দেয়া ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রন করা।শরীরে পানির মাত্রা ঠিক রাখা।ঘাম অপসরণ করা। ভিটামিন ডি সংশ্লেষ করা।
  2. Stomach:পেট বা পাকস্থলী কিছু লোক এই মতের সাথে একমত হতে পারে না তবে হজমে পেট খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হ্যাঁ, কিছু লোক এটি ছাড়া বাঁচতে পারে তবে পেট ছাড়া জীবন তত সহজ নয়। এটি এনজাইম এবং সিক্রেটেড অ্যাসিডের মাধ্যমে খাদ্য ভাঙ্গতে আমাদের সহায়তা করে। পেট  হজম শক্তি বাড়ানোর কাজ করে।খাবারের সাথে প্রবেশকারী জীবাণুদের বিনাশ করে।

    পেট বা পাকস্থলী

  3. অগ্নাশয়: এটি একটি মিশ্র গ্রন্থি। দেহের জন্য প্রয়োজনিয় হরমোনকে  দেহের প্রয়োজনে ক্ষরণ  করে।
  4. Liver:যকৃৎ বা কলিজা : মানবদেহের  অনেকগুলি কাজের জন্য দায়ী একটি অঙ্গ। এটি মানবদেহের বৃহত্তম ডিটক্সিফায়ার এবং ড্রাগের বিপাকীয়করণ ঘটায়। এটি পিত্তকে গোপনে  রাখে, যা আমাদের মেদ হজমে সহায়তা করে। এটি রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রোটিনগুলি তৈরিতে জড়িত।এটি শরীরের বিপাক ক্রিয়ায় অংশ গ্রহন করে । 
  5. Lungs:ফুসফুস: ২টি ফুসফুস  আপনার শরীরে বাতাস থেকে অক্সিজেন নিতে সহায়তা করে। ফুসফুসগুলি আপনার দেহকে কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে মুক্তি পেতে সাহাজ্য করে।অক্সিজেন গ্রহন করে এবং কার্বন ডাই অক্সাইড বর্জনে সহায়তা করে।
  6. Heart:হার্ট বা হৃদয়: ২টি ফুসফুসের মোটামুটি মাঝেহার্ট এর অবস্থান। পুরো শরীরে রক্ত ​​পাম্প করে। এটি কোষগুলিকে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি এবং অক্সিজেন সরবরাহ করতে দেয়।
  7. Kidney কিডনি বা বৃক্ক:  মুত্র তৈরি করে । দেহের ক্ষতিকর রেচন পদার্থ মুত্র আকারে বের করে দেয়।রক্ত পরিশুদ্ধ করে।

    কিডনি বা বৃক্ক

  8. Brain: মস্তিষ্ক: আপনার শরীর এবং আশেপাশের তথ্য প্রাপ্ত এবং ব্যাখ্যা করে। মস্তিষ্ক গন্ধ, আলো, শব্দ এবং ব্যথার মতো ইনপুটগুলিকে ব্যাখ্যা করে।স্মৃতি শক্তি ও সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা নিয়ন্ত্রন করে মস্তিষ্ক।প্রায় ১০ হাজার কোটি স্নায়ু কোষ দ্বারা গঠিত এই মস্তিষ্ক।মাথার খুলির শক্ত আবরনের মধ্যে এর অবস্থান। দেহের সব কাজ ই নিয়ন্ত্রন করে মস্তিষ্ক।
  9. সুষুন্মা কান্ড:  সুষুন্মা কান্ড মেরুদণ্ডের মধ্যে থাকে। মস্তিষ্কের শেষ থেকে উৎপন্ন হয়ে কোমর পর্যন্ত হয়ে থাকে।এটি লম্বা নলাকার।মুরগীর গলার হাড়ের মধ্যে যে নরম ও সাদা এবং দড়ি মত লম্বা যে অংশ থাকে তাই হল সুষুন্মা কান্ড।সুষুন্মা কান্ড মস্তিষ্কের সাথে সংজোজিত থাকে।প্রতিবর্তক ক্রিয়া সম্পাদন করে সুষুন্মা কান্ড।
  10. শুক্রাশয়: পুরুষ দেহের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।উদরের তলদেশের বাইরে অবস্থান করে শুক্রথলি।আর শুক্রথলির ভিতর অবস্থান করে ২টি শুক্রাশয়। শুক্রাশয় শুক্রাণু ও পুরুষ হরমোন উৎপন্ন করে।পুরুষ হরমোন  পুরুষ দেহের বিভিন্ন গৌণ,যৌন বৈশিষ্ট নিয়ন্ত্রন করে। টেসটোস্টরন হরমোন নির্গত করা এর অন্যতম কাজ।

    শুক্রাশয়

  11. ডিম্বাশয়:স্ত্রী দেহের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ডিম্বাশয়। স্ত্রী দেহের উদর গহবরের নিচের দিকে এবং জরায়ুর উপরে ২দিকে ২টি ডিম্বাশয় অবস্থান করে।স্ত্রী জনন কোষ বা ডিম্বাণু উৎপন্ন করে এই ডিম্বাশয়।ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলন হলে  সৃষ্টি কর্তার ইচ্ছায় সন্তান ধারন করা সম্ভব হয়।২টি হরমোন ক্ষরণ করে এই ডিম্বাশয়।স্ত্রী হরমোন স্ত্রীদেহের বিভিন্ন গৌণ,যৌন বৈশিষ্ট নিয়ন্ত্রন করে।

মানব দেহে হাড় সংখ্যা কতটি জেনে নিন

একটি মানুষ ৩০০ টি হাড় নিয়ে জন্মে।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই সংখ্যা কমে ২০৬ এ এসে থামে।

মানবদেহের ২০৬ টি হাড়ের নাম সমূহ:  শিশুদের হাড়ের সংখ্যা কয়টি 

মানুষের দেহের হাড় কয়টি

  • মানবদেহের  হাড় ২০৬ টি

‌‌দুই হাতে মোট ৬০টি হাড় রয়েছেঃ
হিউমেরাস (Humerus) – 2
রেডিয়াস (Radius) – 2
আলনা (Ulna)- 2

কারপাল (Carpal) – ১৬টি

  • (i) স্ক্যাফয়েড (Scaphoid bone) – 2
  • (ii) লুনেট (Lunate bone) – 2
  • (iii) ট্রাইকুয়েট্রাল (Triquetral bone)- 2
  • (iv) পিসিফর্ম (Pisiform bone) – 2
  • (v) ট্রাপিজিয়াম (Trapezium)- 2
  • (vi) ট্রাপিজয়েড (Trapezoid bone) – 2
  • (vii) ক্যাপিটেট (Capitate bone) – 2
  • (viii) হ্যামেট (Hamate bone) – 2

মেটাকারপাল(Metacarpal) – ১০টি

  • (i) 1st Metacarpal – 2
  • (ii) 2nd Metacarpal – 2
  • (iii) 3rd Metacarpal – 2
  • (iv) 4th Metacarpal – 2
  • (v) 5th Metacarpal – 2

মেটাকারপাল হাড়ের তিনটি অংশ:

  • (i) Head
  • (ii) Body
  • (iii) Base

ফ্যালানজেন্স(Phalanges) – ২৮টি

  • (i) প্রক্সিমাল ফ্যালানজেস (Proximal phalanges) – 10.
  • (ii) ইন্টারমিডিয়েট ফ্যালানজেস (Intermediate phalanges) – 8.
  • (iii) ডিস্টাল ফ্যালানজেস (Distal phalanges) – 10.

মোট দুই হাতে তাহলে মোট ৬০টি হাড়।

মানুষের দেহের হাড় কয়টি

পায়ে মোট ৬০ টি হাড়ঃ

ফিমার (Femur) – 2
প্যাটেলা (patella) – 2
টিবিয়া (Tibia) – 2
ফিবুলা (Fibula) – 2

টারসাল (Tarsal) – ১৪টি

  • (i) ক্যালকেনিয়াস (Calcaneus or heel bone) – 2
  • (ii) ট্যালাস (Talus) – 2
  • (iii) নেভিকুলার (Navicular bone) – 2
  • (iv) মিডিয়াল কিউনিফর্ম (Medial cuneiform bone ) – 2
  • (v) ইন্টারমিডিয়েট কিউনিফর্ম (Intermediate cuneiform bone) – 2
  • (vi) ল্যাটেরাল কিউনিফর্ম (Lateral cuneiform bone) – 2
  • (vii) কিউবয়েড (Cuboid bone) – 2

মেটাটারসাল (Metatarsal) – ১০টি

  • (i) 1st Metatarsal – 2
  • (ii) 2nd Metatarsal – 2
  • (iii) 3rd Metatarsal – 2
  • (iv) 4th Metatarsal – 2
  • (v) 5th Metatarsal – 2

মেটাটারসাল হাড়ের তিনটি অংশ:

  • (i) Head
  • (ii) Body
  • (iii) Base

ফ্যালানজেন্স (Phalanges) – ২৮টি

  • (i) প্রক্সিমাল ফ্যালানজেস (Proximal phalanges) – 10.
  • (ii) ইন্টারমিডিয়েট ফ্যালানজেস (Intermediate phalanges) – 8.
  • (iii) ডিস্টাল ফ্যালানজেস (Distal phalanges) – 10.

দুই পায়ে মোট ৬০ টি হাড় রয়েছে

পেলভিস(pelvis) বা শ্রোণী

পেলভিস তিনটি অঞ্চল নিয়ে গঠিত যা দুটি কক্সাল হাড় গঠনে ফিউজড হয়ে যায় সেগুলি হলো:

  • ইলিয়াম(Illium),
  • ইস্কিয়াম(Ischium)এবং
  • পিউবিস(Pubis)

স্যাক্রাম এবং কক্সিস দুটি নিতম্বের হাড়ের সাথে পেলভিস গঠনের জন্য সংযুক্ত থাকে তবে মেরুদণ্ডের কলামের জন্য এটি আরও গুরুত্বপূর্ণ।

মানুষের বুকের পাঁজরের হাড় কয়টি?

বুকে মোট ২৯টি হাড় রয়েছেঃ

রিব (Rib) ২৪টি, দুই পাশে ১২ টি করে –

  • Rib 1
  • Rib 2
  • Rib 3
  • Rib 4
  • Rib 5
  • Rib 6
  • Rib 7
  • Rib 8 (False)
  • Rib 9 (False)
  • Rib 10 (False)
  • Rib 11 (Floating)
  • Rib 12 (Floating)
  • স্টারনাম(Sternum) – ১টি(মাঝখানে)
  • ক্ল্যাভিকল(Clavicle) – ২টি(দুইপাশে)
  • স্ক্যাপুলা(Scapula) – ২টি (দুই পাশে পেছন দিকে)

মোট = ২৯টি

মানুষের মেরুদন্ডে হাড়ের সংখ্যা কত?

মেরুদন্ডে মোট ৩৩টি হাড় রয়েছেঃ

মেরুদন্ডের প্রত্যেক হাড়কে কশেরুকা বলে।

সারভাইকাল (Cervical Vertebrae )ঘাড়ের হাড় – ৭টি

  • Cervical Vertebrae 1 (atlas)
  • C2 (axis)
  • C3
  • C4
  • C5
  • C6
  • C7

থোরাসিক (Thoracic- বুক বরাবর পিঠে)- ১২টি হাড়

  • Thoracic Vertebrae 1
  • T2
  • T3
  • T4
  • T5
  • T6
  • T7
  • T8
  • T9
  • T10
  • T11
  • T12

লাম্বার (Lumbar – পেট ও কোমড় বরাবর পিঠে)-৫টি

  • Lumbar Vertebrae 1
  • L2
  • L3
  • L4
  • L5

স্যাক্রাম ৫ টি আর কক্সিক্স ৪ টি  ধরলে মোট ৩৩ টি হাড় হয়।

কিন্তু

স্যাক্রাম (Sacrum – লাম্বারের নিচে)- ১টি   (৫ টি কে ১টি ধরা হয়)
কক্সিক্স (coccyx – স্যাক্রামের নিচে)- ১টি (৪ টি কে ১ টি ধরা হয়) 

মোট = ২৬ টি

হিপবোন (Hipbone)- ২টি

মানুষের মাথায় কয়টি হাড় আছে?

মাথার হাড়ঃমোট=২৯টি

খুলি(Skull) -২২টি

ক্রেনিয়াল (Cranial bones) – 8

  • (i) অক্সিপিটাল (Occipital bone)
  • (ii) প্যারাইটাল (Parietal bones) – 2
  • (iii) ফ্রন্টাল (Frontal bone)
  • (iv) টেম্পোরাল (Temporal bones) – 2
  • (v) স্ফেনয়েড (Sphenoid bone)
  • (vi) এথময়েড (Ethmoid bone)

ফেসিয়াল (Facial bones) – 14

  • (i) ন্যাসাল (Nasal bones) – 2
  • (ii) ম্যাক্সিলা (Maxillae upper jaw) – 2
  • (iii) ল্যাক্রিমাল (Lacrimal bone) – 2
  • (iv) জাইগোমেটিক (Zygomatic bone (cheek bones) -2
  • (v) প্যালাটাইন (Palatine bone) – 2
  • (vi) ইনফিরিয়র ন্যাসাল কনকা (Inferior nasal concha) – 2
  • (vii) ভোমার (Vomer) – 1
  • (viii) ম্যান্ডিবল (Mandible) -1

কানের ভেতরে ৩ টি করে দুই পাশে মোট ৬টি হাড় রয়েছেঃ

  • (i) ম্যালিয়াস (Malleus) – 2
  • (ii) ইনকাস (Incus) – 2
  • (iii) স্টেপিস (Stapes ) – 2

হাইওয়েড(Hyoid) গলার উপরের দিকে থাকে – ১টি

মোট=২৯টি

সবগুলো যোগ করে মোট হাড়ের সংখ্যা হলো- ৬০+৬০+২৯+২৬+২+২৯=
২০৬টি

  • মানুষের অক্ষীয় কংকালে – ৮০ টি অস্থি থাকে।
  • উপাক্ষীয় কংকালে অস্থির সংখ্যা -১২৬ টি।

মানুষের দেহের সবচেয়ে বড় হাড় কোনটি মানবদেহের সবচেয়ে বড় অস্থি কোনটি?

  • দেহের বৃহত্তম হাড় হল ঊর্বস্থি (ফিমার) বা উরুর হাড়।

মানব দেহের সবচেয়ে ছোট হাড় কোনটি?

  • সবচেয়ে ছোটটি হল মধ্যকর্ণের স্টেপিস।
মানুষের মুখে হাড়ের সংখ্যা কত?
  • ১৪টি

মানবদেহের সবচেয়ে ছোট ও বড় অস্থি,পেশি, তন্ত্র,গ্রন্থি,কোষ ইত্যাদি:

1.মানবদেহের সবচেয়ে বড় অস্থি 
  • ফিমার
2.মানবদেহের সবচেয়ে ছোট অস্থি 
  • স্টেপিস
3. মানবদেহের সবচেয়ে বড় পেশি 
  • সারটোরিয়াস
4.মানবদেহের সবচেয়ে ছোট পেশি 
  • স্টেপিডিয়াস
5. মানবদেহের সবচেয়ে বড় তন্ত্র
  • পেশীতন্ত্র
6. মানবদেহের সবচেয়ে বড় অঙ্গ 
  • ত্বক
7. মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি
  • যকৃত
8. মানবদেহের সবচেয়ে ছোট গ্রন্থি 
  • পিট্যুইটারি
9. মানবদেহের সবচেয়ে দীর্ঘ কোষ 
  • নিউরন
10. মানবদেহের আকারে সবচেয়ে বড় রক্তকণিকা 
  • শ্বেত রক্তকণিকা
11. মানবদেহের সবচেয়ে ছোট রক্তকণিকা 
  • অণুচক্রিকা
12. মানবদেহের সবচেয়ে বড় করোটিক স্নায়ু 
  • ট্রাইজেমিনাল
13. মানবদেহের সবচেয়ে ছোট করোটিক স্নায়ু
  • অলফ্যাক্টরি
14. মানবদেহের সবচেয়ে বিস্তৃত করোটিক স্নায়ু 
  • ভ্যাগাস
15. মানবদেহের ক্ষুধার্ত স্নায়ু
  • ভ্যাগাস
16. লোহিত রক্তকণিকার আয়ুষ্কাল কত দিন ?
  • ১২০ দিন
17. শ্বেত রক্তকণিকার আয়ু কত দিন?
  • ৫-৬ দিন
18. অনুচক্রিকার গড় আয়ু কত ?
  • ১০ দিন
19. রক্তের গ্রুপ আবিস্কার করেন কে ?
  • ল্যান্ড স্টিনার
20. বিলিরুবিন কোথায় তৈরী হয় ?
  • যকৃতে
21. মুত্র প্রস্তুত হয় কোথায় ?
  • কিডনীতে
22. মহিলাদের পরিপূর্ণ জনন কোষকে কী বলে ?
  • ডিম্বাণু
23. প্রতি মিনিটে হৃদপিন্ডের সাভাবিক স্পন্দন কত ?
  • ৭২ বার
24. নাড়ির স্পন্দন প্রভাবিত হয় কিসের মাধ্যমে ?
  • ধমনীর মাধ্যমে
25. মানুষ সাদা ও কালো হয় কোন হরমোনের কারণে ?
  • মেলানিন
26. সেলসিয়াস স্কেলে মানবদেহের স্বাভাবিক উষ্ণতা কত ?
  • ৩৬ .৯ ডিগ্রী

আরো পড়ুন: পর্নোগ্রাফির মরণকামড় থেকে মুক্তির উপায়

হস্তমৈথুনের চিকিৎসায় প্রধান ঔষধ

মানব দেহের বিভিন্ন অঙ্গের ছবিমানব দেহের চিত্র বাংলা

মানব দেহের চিত্র বাংলা

মানব দেহের বিভিন্ন অঙ্গের ছবি

মানব দেহের বিভিন্ন অংশের ইংরেজি নামমানব দেহের বিভিন্ন অংশের বাংলা ও ইংরেজি নাম

HEAD – মাথা

  1.  Bone – অস্থি
  2. Brain – মস্তক
  3. Forehead – কপাল / সামনের অংশ
  4. Occiput – মস্তকের পশ্চাৎ ভাগ
  5. Temples – শঙ্খস্থান
  6. Vertex – তালু

EYE – চোখ

  1.  Conjunctive – চোখের সাদা অংশ
  2. Cornea – চোখের কালো অংশ
  3. Eyebrows – ভ্রু
  4. Iris – উপতারার
  5. Lids – চোখের পাতা
  6. Optic nerve – চক্ষু স্নায়ু
  7. Orbital fossa – চোখের গর্ত
  8. Retina – অক্ষিপট
  9. Veins -শিরাগুলি

EAR – কান

  1.  Pinna কানের অংশ
  2. External acostic meatus – কর্ণগুহর

NOSE – নাক

  1.  Nasal bone – নাকের হাড়
  2. Nasal Cavity – নাকের ফাকা অংশ

FACE – মুখমন্ডল

  1. Chin – থুতনি
  2. Jaws – চোয়াল
  3. Maxilla – উপরের চোয়াল
  4. Mandible – নিচের চোয়াল
  5. Parotid gland – মাম্পস /কানের নিচের গ্রন্থি
  6. Sub maxillary gland – ম্যাক্সিলারি বোনের সাথে যে গ্ল্যান্ড যুক্ত থাকে
  7. Sub lingual gland – জিহ্বার নিচের গ্রন্থি
  8. Zygomatic – মুখের উঁচু হাড়

MOUTH – মুখগহ্বর

  1.  Gum – মাড়ি
  2. Lips – ওষ্ঠ/ঠোঁট
  3.  Plate – মুখের তালু
  4. Tongue – জিহ্বা

TEETH – দাঁত

  1.  Canine – শ্বাদন্ত
  2. Incisors – কর্তণ দাঁত
  3.  Molars – চর্বণ দাঁত
  4.  Premolars – চর্বণ দাঁত (প্রায়)

THROAT – গলনালী

  1. Larynx – শ্বাস যন্ত্রের পথ
  2. Pharynx – শ্বাস ও খাদ্য নালীর পথ
  3.  Oesophagus – খাদ্যনালী
  4. Tonsils – টনসিল
  5.  Uvula – আলজিহ্বা

ABDOMEN – পেট

  1.  Right Hypochondria – ডান কুক্ষিদেশ
  2.  Left Hypochondria – বাম কুক্ষিদেশ
  3. Epigastrium
  4. Hypogastrium- উদরাধঃ প্রদেশ
  5.  Umbilicus – নাভি
  6. Right lumber – ডান কটিদেশ
  7. Left lumber – বাম কটিদেশ
  8. Right Iliac/Inguinal region – ডান কুঁচকি
  9.  Left Iliac/Inguinal region – বাম কুঁচকি
  10. Liver – যকৃত
  11.  Pancreas – ক্লোম গ্রন্থি
  12.  Spleen – প্লীহা

GENITALIA – পুরুষ জননেন্দ্রিয়

  1.  Penis – লিঙ্গ
  2.  Scrotum – অন্ডথলি
  3.  Spermatic cord – শুক্রবাহী নালী
  4. Testes – অন্ডকোষ

GENITALIA FEMALE – স্ত্রী জননেন্দ্রিয়

  1.  Placenta – গর্ভফুল
  2.  Ovaries – ডিম্বকোষ
  3.  Uterus – জরায়ু
  4. Vagina – স্ত্রী লিঙ্গ

CHEST – বুক

  1. Axilla – বগল
  2.  Clavicle – কলার বোন/বিউটি বোন
  3.  Cartilage – তরুণাস্থি
  4. Diaphragm – পেট ও বুকের মাঝের পর্দা
  5.  Heart – হৃদপিণ্ড
  6. Lungs – ফুসফুস
  7.  Mammae – স্তন
  8.  Ribs – পাজরের হাড়
  9.  Sternum- দুই পাজরের মাঝের হাড়(টাই)

BACK – পিঠ

  1. Cervical – গ্রীবাদেশ – ৭টি হাড়
  2.  Dorsal – পৃষ্ঠদেশ – ১২টি (পিঠের)
  3.  Lumber – কটিদেশ – ৫টি (পেট বরাবর)
  4.  Sacrum – ত্রিকাস্থি – ৫টি (কোমরে)
  5. Coccyx – পিকচঞ্জু অস্থি-৪টি (কোমরের নিচে)
  6.  Scapula – স্কন্ধস্থি – ২টি (ত্রিকোস্থি)
  7.  Spin – মেরুদণ্ড
  8.  Spinal cord – মেরুমজ্বা

EXTREMITIES – হস্তপদাদি

  1. upper limbs – উপরাঙ্গসমূহ
  2.  Shoulder – স্কন্ধ/কাঁধ
  3. Upper arm -ঊর্ধভাগ – Humerus bone
  4.  Forearm – কনুই এর নিচের অংশ -Radius, Ulna
  5.  Wrist – কব্জি
  6. Hand – হাত – Carpal bones
  7. Palm – হাতের তালু
  8. Fingers – আঙ্গুল Metacarpal bone, phalanges
  9.  Nails – নখ
  10.  Tips – আঙ্গুলের অগ্রভাগ
  11.  Thumb – বৃদ্ধাঙ্গুল

Lower Limbs – নিম্নঙ্গসমূহ

  1. Sciatica – কোমর থেকে পা পর্যন্ত স্নায়ু
  2.  Nates – নিতম্ব
  3. Hip – কোমর
  4. Thigh – উরু – Femur
  5. Knee – হাটু – Patella
  6.  Leg – পা – Tibia, Fibula
  7. Ankle – গোড়ালি
  8. Foot – পায়ের পাতা – Tarsal bone
  9. sole – পায়ের তলা
  10.  heel – গোড়ালির তলা
  11.  Toes – আঙ্গুল – Metatarsal bone

মানব দেহ পরিচিতি। মানব দেহের গঠন

মানব দেহ হল একটি মানুষের পূর্ণাঙ্গ দেহ কাঠামো যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হলো মাথা, ঘাড়, ধড় ( বক্ষ এবং পেট), বাহু এবং হাত, পা এবং পায়ের পাতা।

মানব দেহের প্রতিটি অংশই বিভিন্ন ধরনের কোষ দ্বারা গঠিত, যা জীবনের মৌলিক একক পরিণত অবস্থায়, মানবদেহে গড়ে

প্রায় ৩৭.২ ট্রিলিয়ন কোষের সংখ্যা থাকে  ।
মানুষের দেহ বেশ কিছু নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থের সমন্বয়ে গঠিত যাদের মধ্যে অন্যতম হলো কার্বন, ক্যালসিয়াম  ও ফসফরাস।
অধ্যয়নের জন্য মানবদেহের প্রধান দুটি শাখা হলো
  • শারীরস্থান
  • শারীরবিদ্যা।
মানবদেহের উচ্চতা নিয়ন্ত্রিত হয়  জিন ও খাদ্যাভ্যাস দ্বারা ।
 শরীরের অনেক  তন্ত্র ও কার্যপ্রণালি দৈহিক ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণের জন্য পারস্পরিকভাবে সম্পর্ক তৈরি করে।
জেনেটিক্স, খাদ্যাভ্যাস এবং শারীরিক পরিশ্রমের দ্বারা প্রভাবিত হয় শরীরের ধরন এবং গঠন 
সবচেয়ে বড় গহ্বর :মানব দেহে বেশ কিছু দেহ গহ্বর রয়েছে, তাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় গহ্বরটি হল উদরীয় গহ্বর বা অ্যাবডোমিনাল ক্যাভিটি  ।
বায়ুথলি: নাসারন্ধ্রের নিকটবর্তী সাইনাস হলো মাথার করোটি খুলিতে অবস্থিত চার জোড়া গুরুত্বপূর্ণ বায়ুথলি।
এই বায়ুপূর্ণ শূন্যস্থানগুলোর অবস্থান  হলঃ
 দুই চোখের পাশে একটু পেছনে গভীরে এবং নাসাগহ্বরের দুই পাশে জোড়ায় জোড়ায়
মানবদেহের বিভিন্ন উপাদানের অনুপাতের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানসমূহ হলঃ
উপাদানের প্রকরণ  পানি, আমিষ, সংযোজক কলা, চর্বি, শর্করা এবং হাড় ইত্যাদি।
মানুষের শরীরে  অবস্থিত কোষগুলো  শুধু মানুষের নিজেরই নয়, বরং মানুষের শরীরে অবস্থিত ব্যাকটেরিয়া, আর্কিয়া, এবং মেথানোজেন্সের কোষ সংখ্যাও এতে অন্তর্ভুক্ত, যেমন Methanobrevibacter smithii

মানব দেহে জোড়া কয়টি

অস্থিসন্ধি হাড়ের জোড়া

মানব দেহ অস্থিসন্ধি হাড়ের জোড়া কয়টি???
মানবদেহে অস্থিসন্ধির সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়। একটি মানুষ ৩০০ টি হাড় নিয়ে জন্মে।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই সংখ্যা কমে ২০৬ এ এসে থামে।
সুতরাং হাড়ের মতো হাড়ের জোড়া তথা অস্থিসন্ধির সংখ্যাও পরিবর্তিত হয়। আবার লিঙ্গভেদে অর্থাৎ নারী-পুরুষের অস্থিসন্ধির সংখ্যায় তারতম্য দেখা যায়।
এর কারণ- নারী নিতম্বে বিশেষ একপ্রকার অস্থিসন্ধি রয়েছে যার নাম Sacroiliac Joint যা পুরুষের থাকে না।
সুতরাং হাড়ের জোড়া নির্ভর করে মানুষের বয়স ও লিঙ্গের ওপর।
এসবের ওপর ভিত্তি করে মানবদেহে ২০০ থেকে ৩৫০ টি পর্যন্ত অস্থিসন্ধি থাকে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৪০০ টিও থাকতে পারে।
একটি জোড়া দুটি হাড়ের মিলন স্থান। জোড়া গুলি তিনটি প্রধান ধরণের মধ্যে শ্রেণীবদ্ধ করা যেতে পারে
  • Immovable or Fibrous or Synarthroses joints.
  • Slightly movable or Cartilaginous or Amphiarthroses joints.
  • Freely movable or Synovial or Diarthroses joints.

মানবদেহের অঙ্গ ও তন্ত্র সমূহের তালিকা

  1.  আচ্ছাদন তন্ত্র ও বহিঃক্ষরা তন্ত্র
  2. কঙ্কালতন্ত্র
  3.  পেশী তন্ত্র
  4. পরিপাক তন্ত্র
  5.  শ্বসন তন্ত্র
  6.  মূত্রতন্ত্র
  7.  জনন অঙ্গসমূহঃ 1. স্ত্রী জনন তন্ত্র  ও 2. পুং জনন তন্ত্র
  8. অন্তঃক্ষরা তন্ত্র
  9. সংবহন তন্ত্র
  10.  লসিকা তন্ত্র ও অনাক্রম্যতন্ত্র
  11. স্নায়ু তন্ত্রঃ1. প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্র  ও 2 ইন্দ্রিয় অঙ্গসমূহ

মানব দেহ সম্পর্কে তথ্য

  1.  মানুষের শরীরে রাসায়নিক দূত হিসেবে কাজ করে – হরমোন।
  2.  মেরুরজ্জুর স্নায়ু সংখ্যা – ৩১ জোড়া।
  3.  রক্ত শূন্য হলে চুপসে যায় – শিরা।
  4.  মানুষের দেহে কিডনি আছে – ২টি।
  5.  শ্বসন্তন্ত্রের প্রধান অঙ্গ – ফুসফুস।
  6. মানব দেহে পানির পরিমাণ -৬০-৭০%।
  7. মানুষের লালারসে যে এনজাইম থাকে- আমাইলেজ।
  8. মানুষের মুখগহ্বরে লালাগ্রন্থি – ৩ জোড়া।
  9.  দাড়িগোঁফ গজায় যে হরমোনের কারনে – টেস্টোস্টেরন হরমোন।
  10. শিতকালে চামড়া ফাটার কারন- বাতাসের আপেক্ষিক আদ্রতা কম থাকে বলে।
  11. জীবনরক্ষাকারী হরমোন – অ্যালডোস্টেরন।
  12. শ্বাশ-প্রশ্বাস কতক্ষন বন্ধ থাকলে মানুষের মৃত্যু হয়- ৩.৫ মিনিট।
  13.  রক্ত সঞ্চালন কতক্ষণ বন্ধ থাকলে মানুষের মৃত্যু হয় – ৫ মিনিট।
  14.  দেহকোষে কোন ধরণের কোষ বিভাজন দেখা দেয় – মাইটোসিস।
  15. স্মৃতি সংরক্ষণ করে মস্তিষ্কের যে অংশ হিপেক্যাম্পাস।
  16. মানবদেহ মোট কোষের সংখ্যা – ১০।
  17.  ব্ল্যাড ক্যান্সার হয় – রক্তে শ্বেত কণিকা বেড়ে গেলে।
  18. ইনসুলিনের কাজ হল – রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা।
  19.  রক্তে লোহিত ও শ্বেত কনিকার অনুপাত – ৫০০:১।
  20.  মানব দেহের সবচেয়ে দৃঢ় ও দীর্ঘ অস্থি – উরু অস্থি।
  21.  শিরা কণ ধরপের রক্ত বহন করে – CO2.
  22.  পনির – আমিষ জাতীয় খাদ্য ।
  23.  শিশুদের রিকেটস হয় – ভিটামিন D এর অভাবে।
  24.  ভিটামিন K কিসে দ্রাব্য? – চর্বিদ্রাব্যে।
  25.  মানুষের দৈহিক ওজনে পানির পরিমাণ- ৫৫-৬৫%।
  26. মানুষ প্রইয়োজনীয় পানির যে অংশ সরাসরি গ্রহণ করে- দুই তৃতীয়াংশ।
  27.  প্রতিদিন মানব্দেহে থকে পানি নিঃসৃত হয়- ২.৬ লিটার।
  28.  কোন খাদ্যে সব ধরণের খাদ্য উপাদান বিদ্যমান – দুধে।
  29. রক্তের PH – ৭.২-৭.৪.
  30. হিমোগ্লোবিন বিহীন রক্ত কোষ – শ্বেত কণিকা।
  31.  মানব্দেহের ছাঁকন যন্ত্র – বৃক্ক/কিডনি।
  32. মানুষের মুতের PH – ৪.৭– ৮।
  33. জিহ্বার অগ্রভাগ কোন ধরণের স্বাদ গ্রহণ করে- মিষ্টি।
  34.  জিহ্বার পার্শ্বদেশ কোন ধরণের স্বাদ গ্রহণ করে- টক।
  35.  চোখের রেটিয়ানায় কোন ধরণের প্রতিবিবম সৃষ্টি হয় – উল্টো।
  36.  কোনো বস্তুকে একই সাথে দুই চোখের সাহায্যে এককভাবে দেখাকে বলে– দ্বি- নেত্র দৃষ্টি/বাইনোকুলার ভিশন।
  37.  চক্ষু দৃষ্টি সঞ্চার করে – আলকের মাধ্যমে।
  38. চোখের কত অংশ বাইরে উন্মচিত – ৬ ভাগের ১ অংশ।
  39.  মানুষের মস্তিষ্ক ভাগ করা হয় – ৩ ভাগে। (প্রোজেন্সেফালন/মেজেনসেফালন/ রম্বেনসেফালন)।
  40.  স্মৃতি,ব্যক্তিত্ব,ধীশক্তি ইত্যাদি গুনাবলীর কেন্দ্রস্থল হল – সেরিব্রাল কটেক্স।
  41.  শীত, গ্রীষ্ম, লজ্জা, ক্রোধ ইত্যাদি অনুভূতি বঢ থাকে – থ্যালামাসে।
  42.  হৃৎপিণ্ডের সাথে আবেগ স্পন্দিত করে মস্তিষ্কের যে অংশ – এমিগডলো।
  43.  হরমোন, রক্তচাপ, ও শড়িরের তাপ নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্কের যে অংশ – হাইপ্তহ্যালামাস।
  44.  একটি পরিণত শুক্রাণুর কয়টি অংশ – ৩ টি।
  45.  পরিপাক শুক্রাণু ও ডিম্বানু নিউক্লিয়াসের একীভবন হল – নিষেক।
  46. শিশুর জন্মকালীন ওজন – ৩.১৭-৩.৬২ কেজি।
  47.  মানব দেহের মস্তিষ্কের সক্রিয় অংশ – ১০%।
  48.  স্মৃতি কয় ধরণের – ৩ ধরণের। (ক্ষনিক/ স্বল্পস্থায়ী/দীর্ঘস্থায়ী)
  49.  মানব্দেহে PH এর মাত্রা বজায় রাখার সিস্টেম হল – বাপার সিস্টেম।
  50.  মস্তিষ্কের স্থিতিস্থাপকতাকে বলে – প্লাস্টিসিটি।
  51. হৃৎপিন্ডের প্রতিটি চক্র সম্পন্ন হতে সয়ম লাগে?– ০.৮ সে.
  52. দেহের যেসব টিস্যুতে রক্ত পৌছাতে পারে না সেসব টিস্যুতে পুষ্টি ও অক্সিজেন পরিবাহিত হয় কিসের মাধ্যমে?–লসিকা
  53. রক্ত তৈরীর কারখানা কোথায়? –Bone marrow
  54. মানব দেহে হাড় সংখ্যা: 206 টি
  55. পেশী সংখ্যা: 639 টি
  56.  কিডনি সংখ্যা: 2 টি
  57. দুধের দাঁত সংখ্যা: 20 টি
  58. পাঁজরের সংখ্যা: 24 (12 জোড়া)
  59. হার্ট চেম্বার নম্বর: 4টি
  60. বৃহত্তম ধমনী: অর্টা
  61. সাধারণ রক্তচাপ: 120/80 এমএমএইচজি
  62. রক্তের পিএইচ: 7.4
  63. মেরুদণ্ডের কলামে মেরুদণ্ডের সংখ্যা: 33
  64. ঘাড়ে মেরুদণ্ডের সংখ্যা: 7 টি
  65.  কানে হাড়ের সংখ্যা: 6 টি
  66. মুখে হাড় সংখ্যা: 14 টি
  67. মস্তকটিতে হাড়ের সংখ্যা: 22 22
  68. বুকে হাড় সংখ্যা: 25
  69. বাহুতে হাড়ের সংখ্যা: 6
  70. মানুষের বাহুতে পেশী সংখ্যা: 72
  71. হৃদয়ে পাম্প সংখ্যা: 2
  72.  বৃহত্তম অঙ্গ: ত্বক
  73.  বৃহত্তম গ্রন্থি: লিভার
  74.  বৃহত্তম কোষ: মহিলা ডিম্বাশয়
  75.  ক্ষুদ্রতম কোষ: শুক্রাণু
  76. ক্ষুদ্রতম হাড়: মধ্য কানের স্ট্যাপস
  77. প্রথম প্রতিস্থাপন অঙ্গ: কিডনি
  78.  ছোট অন্ত্রের গড় দৈর্ঘ্য: 7 মি
  79.  বড় অন্ত্রের গড় দৈর্ঘ্য: 1.5 মি
  80. নবজাতকের শিশুর গড় ওজন: 3 কেজি
  81.  এক মিনিটে হার্ট রেট’র হার: 2 বার
  82.  সাধারণ শরীরের তাপমাত্রা: 37 ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড (98.4 ফ °)
  83. গড় রক্তের পরিমাণ: 4 থেকে 5 লিটার
  84. লাইফটাইম লাল রক্ত কণিকা: 120 দিন
  85.  লাইফটাইম শ্বেত রক্ত কণিকা: 10 থেকে 15 দিন
  86.  গর্ভাবস্থা সময়কাল: 280 দিন (40 সপ্তাহ)
  87. মানুষের পায়ে হাড় সংখ্যা: 33
  88.  প্রতিটি কব্জিতে হাড়ের সংখ্যা: 8
  89. হাতে হাড় সংখ্যা: 27
  90.  বৃহত্তম অন্তঃস্রাবের গ্রন্থি: থাইরয়েড
  91. বৃহত্তম লিম্ফ্যাটিক অঙ্গ: প্লীহা
  92. বৃহত্তম এবং শক্তিশালী হাড়: ফেমুর
  93. ক্ষুদ্রতম পেশী: স্ট্যাপিডিয়াস (মাঝের কান)
  94.  ক্রোমোজোম সংখ্যা: 46 (23 জোড়া)
  95.  নবজাত শিশুর হাড়ের সংখ্যা: 306
  96. রক্ত সান্দ্রতা: 4.5 থেকে 5.5
  97.  সার্বজনীন দাতা রক্তের গ্রুপ: ও
  98.  সর্বজনীন প্রাপক রক্তের গ্রুপ: এবি
  99.  বৃহত্তম শ্বেত রক্ত কণিকা: মনোকাইট
  100.  সবচেয়ে ছোট সাদা রক্তকণিকা: লিম্ফোসাইট y
  101. লোহিত রক্তকণিকা গণনা বলা হয়: পলিসিথেমিয়া
  102. শরীরে ব্লাড ব্যাংক হ’ল: প্লীহা
  103. জীবনের নদী বলা হয়: রক্ত
  104. সাধারণ রক্তের কোলেস্টেরলের স্তর: 100 মিলিগ্রাম / ডিএল
  105.  রক্তের তরল অংশ হ’ল: প্লাজমা

মানুষের শরীরের বিভিন্ন একক

মানুষের শরীরের বিভিন্ন একক গুলো–

  1. শরীরের একক- কোষ
  2. স্নায়ুতন্ত্রের একক- নিউরন
  3. রেচনতন্ত্রের একক- নেফ্রন
  4. ফুসফুসের একক- আলভিওলাস
  5. শুক্রাশয়ের একক-সেমিনিফেরাস টিউবিউল
  6. অস্থির একক- অস্টিওসাইট
  7. তরুনাস্থির একক- কন্ড্রোসাইট
  8. যকৃতের একক- ষড়ভুজাকার হেপাটোসাইট

সৃষ্টি কর্তার দেওয়া একটি নিখুঁতভাবে ডিজাইন করা মেশিন যা আপনাকে জীবন নামক এই অ্যাডভেঞ্চার উপভোগ করতে দেয়।
ইহার যত্ন নিন খারাপ ও বাড়াবাড়ি দিয়ে এটিকে ক্ষতি করবেন না।

Related Posts

Add Comment

You cannot copy content of this page