কোরিয়ান ভিসা ইস্যু হওয়ার পর করনীয়:-
১. ভিসা ফর্ম পূরন করতে হবে( নতুনটা)।
২.মেডিকেল (আগে করা আছে)।
৩.যক্ষ্যা টেষ্ট করতে হবে(খালি পেটে)
৪.ট্রেনিং ( বিকেটিসি মিরপুর)।
৫.পুলিশ ক্লিয়ারেন্স (নিজের জেলা হতে করতে হবে )।
৬.ফিংগার প্রিন্ট (নিজের জেলা হতে করতে হবে। নিজ জেলার প্রবাসী কল্যান ব্যাংক এ 220 টাকা জমা দিয়ে জনশক্তি রপ্তানি এ ফিংগার দিয়ে আসতে হবে)।
Page Content Highlights
কোরিয়ান ভিসা ইস্যু হওয়ার পর করনীয় তিনটি কাজ
দোয়া করি বাংলাদেশে এবার সর্বোচ্চ ভিসা ইস্যু হোক ।যাদের ভিসা ইস্যু হবে তাদের জন্য নিজ অভিজ্ঞতা থেকে তিনটি করণীয় কাজের কথা বলি ।
আশা করি, এগুলো করলে ভবিষ্যতে উপকৃত হবেন ।
দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য নতুন ভিসা ফরম।
যে তিনটি কাজের কথা বলছি সবার আগে এই তিনটি করলে আপনার অর্ধেক কাজই সম্পন্ন হয়ে যাবে ।
তার আগে একটি কথা বলে রাখি, আপনার পাসপোর্ট এর minimum ২০ টি রঙিন কপি করে রাখুন ।
ভাল কোনো ল্যাব প্রিন্ট স্টুডিও থেকে passport size এর ২০ কপি ছবি তুলে রাখুন ধিরে ধিরে দেখবেন সব গুলো কাজে লাগবে ।

ভিসা ইস্যু হওয়া ইপিএস কর্মীদের ট্রেনিং চলছে।
১.পুলিশ ক্লিয়ারেন্স:
সাধারণত বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টার ভিতরই ওইদিনের যাদের ভিসা ইস্যু হওয়ার হয়ে যাবে ।
অর্থাৎ যারাই দেখবেন ভিসা ইস্যু হয়ে গেছে তারা দেরি না করে সাথে সাথেই নিকটস্থ সোনালী ব্যাংকে গিয়ে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের ৫০০ টাকা ডিপোজিট করে দিয়ে আসবেন ।
টাকা জমা দেওয়ার ফরম কাছাকাছি কম্পিউটার অথবা ফটোকপি করে এমন দোকানে গেলেই দশ টাকার বিনিময়ে কিনতে পারবেন ।
হাতে লিখে দিলেও চলবে এতে সময় কম লাগবে ।
যে দিন ভিসা ইস্যু হবে সেইদিনই টাকা জমা দেওয়ার একটাই কারণ, টাকা জমা একদিন পরে হয় ।
সুতরাং আপনি যত আগে টাকা জমা দিবেন তত আগেই আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর কাজ শুরু হবে সুতরাং একদিন আগে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাবেন ।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য যাদের নিজস্ব কিছু সমস্যা আছে [ মামলাজনিত ] তারা সরাসরি থানার মুন্সির সাথে কন্টাক্ট করতে পারেন ।
কোন SP এর কাছে না যাওয়াই ভালো ।
আর যাদের কোন সমস্যা নাই তারা নিজ দায়িত্বে অনলাইনেই আবেদন করবেন আশা করি নির্দিষ্ট সময়ের ভিতরেই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেয়ে যাবেন ।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সাধারণত ট্রেনিং শেষ করে CCVI ইস্যু হলে তারপরে পেলেই চলে ।
সুতরাং মাথায় রাখবেন যাতে ভিসা ইস্যু হওয়ার ১৫ থেকে ২০ দিনের ভিতরে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স হাতে পান ।
নিজে নিজে অনলাইনে করলেও ২০ দিনের ভিতরেই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেয়ে যাবেন ।
আর কোন সমস্যা করলে টাকা না দিয়ে Bosel কে জানান, তারা আপনাকে যথেষ্ট সাহায্য করবে ।
কোরিয়ান ও জাপানের বিভিন্ন আপডেট জানতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন।
ক্লিক করুন এখানে
২. ইন্টারনেট ব্যাংকিং একাউন্টঃ
এটা সাধারণত কেউ করে না তবে আপনি যদি করে আসেন এইটা যে আপনাকে কতবড় উপকার দেবে তা একমাত্র কোরিয়াতে আসার পরই বুঝতে পারবেন ।
ইন্টারনেট ব্যাংকিং হলো যে কোন দেশে বসে আপনি আপনার বাংলাদেশের অ্যাকাউন্ট কে অপারেট করতে পারবেন ।
বাংলাদেশে আমার জানামতে ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এবং এশিয়া ব্যাংক লিমিটেড এই দুইটি ব্যাংকসহ এখন প্রায় সব ব্যাংকে এই ইন্টারনেট ব্যাংকিং সুবিধা গুলো দেওয়া হয় ।
ইন্টারনেট ব্যাংকিং একাউন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।
৩.যক্ষা পরীক্ষা:
ট্রেনিংয়ের Date যদি দু তিন দিনের ভিতরে না পড়ে তাহলে যে কোন একদিন বোয়েসেল কর্তৃক নির্ধারিত বাড্ডার সংলগ্ন প্রেস্ক্রিপশন পয়েন্ট হসপিটালে গিয়ে যক্ষা পরীক্ষাটা করে নিবেন ।
১৫০০ টাকা লাগে (শুক্রবার দিন) ও হসপিটাল খোলা থাকে ঠিকানাটা ইন্টারনেট থেকে কালেক্ট করে নিবেন।
যত দ্রুত সম্ভব এটা করে ফেলাই ভালো ।
আমরা যারা কোরিয়া আসি প্রায় সবাই নতুন যার কারণে আমরা অনেক কিছু জানি না । কখন কোনটা করতে হবে তাও বুঝিনা ।
তবে আমি নিজ অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি ট্রেনিং এর আগেই এই তিনটি কাজ অবশ্যই করবেন ।
যদি আজ কাল আপনার ভিসা ইস্যু হয় ধরে নেবেন তিন দিন পরেই আপনার ট্রেনিং ডেট সুতরাং এই তিন দিনের ভিতরেই আপনার এই তিনটি কাজ করে রাখবেন ।
ভিসা ইস্যু হলে ঢাকঢোল পিটিয়ে সবাইকে না জানিয়ে কাজগুলো ভালোভাবে সম্পন্ন করুন।
দেখবেন পরে আর কোন সমস্যা হবে না।
কোরিয়ান ভিসা ইস্যু হওয়ার পর করনীয় যা তো জানলেন
এবার নিজে নিজে আরো খোজ-খবর নিবেন ,যদি কোন নতুন আপডেট আসে । সেটা যেন মিস না হয়।
আরও পড়তে পারেন:
কোরিয়ান বর্ণমালার পরিচয়: প্রথম পর্ব
ইপিএস কর্মীগণ দেশে ফিরে কোরিয়ান কোম্পানিতেই চাকরি করতে পারবেন
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়ার উপায়
পর্নোগ্রাফির মরণকামড় থেকে মুক্তির উপায়

